সরকারি বাজেট ও ইসলামের ‘বায়তুল মাল’ ব্যবস্থা
জাতীয় বাজেটের কেন্দ্রে একটা হিসাব-নিকাশ থাকে—রাষ্ট্র কোথা থেকে আয় করবে আর কোথায় তা ব্যয় করবে। যদিও বাজেটের দর্শন হলো সম্পদের সুষম বণ্টন এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া। কিন্তু বর্তমান ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বাজেট অনেক সময়ই মুষ্টিমেয় পুঁজিপতির স্বার্থরক্ষা এবং প্রান্তিক মানুষকে করের জালে বন্দী করার হাতিয়ারে পরিণত হয়। ঠিক এই জায়গাতেই ইসলামের রাষ্ট্রীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনা, যা ‘বায়তুল মাল’ (রাষ্ট্রীয় কোষাগার) নামে পরিচিত, তা এক কালজয়ী বিকল্প হিসেবে হাজির হয়। যা
রাষ্ট্রীয় বাজেট মূলত আয়-ব্যয়ের হিসাব হলেও বর্তমান ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটি প্রায়শই মুষ্টিমেয় পুঁজিপতির স্বার্থ রক্ষা করে। এই প্রেক্ষাপটে ইসলামের ‘বায়তুল মাল’ বা রাষ্ট্রীয় কোষাগার ব্যবস্থা এক কালজয়ী বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়, যার মূল ভিত্তি হলো খোদায়ি আমানতদারিতা ও মানবকল্যাণ।
ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে জাকাত ও উশর-এর মতো উৎস থেকে আয় করা হয়, যা ধনীদের উদ্বৃত্ত সম্পদ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে আদায় করা হয়। এর একটি অংশ সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় করা হয়, যা আধুনিক বাজেটের ঘাটতি পূরণের জন্য ঋণের উপর নির্ভরতার বিপরীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করে।
ইসলামের ‘বায়তুল মাল’ ব্যবস্থা সম্পদের সুষম বণ্টন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষার উপর জোর দিয়ে আধুনিক বাজেট ব্যবস্থার একটি বিকল্প মডেল উপস্থাপন করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →