লাল ডাকবাক্সে অবহেলায় সাজি
লাল বাক্সে জমা পড়ে চিঠি। কখনো ভিজে যায় বৃষ্টির জলে। কখনো রোদে শুকিয়ে যায় অভিমানী অক্ষরগুলো। তোমার আর সময় হয় না, সময় বয়ে যায়। লাল বাক্সে হাত রেখেও কী দারুণ অবহেলায় সরিয়ে নাও। জানো বোধ হয়, আমার চিঠি এই বাক্সে জমা হয়। কখনোবা ক্লান্ত দেহে বাক্স খুলে শুধু অক্ষরের বিন্যাস দেখো। শব্দের গায়ে জমে থাকা মায়ার পলি দেখো না। দেখো না পরগাছার মতোই কতটা অযত্নেও জন্মেছে ভালোবাসা। নাকি জেনে গেছ, ভালোবাসি, তাই আলগোছে অবহেলায় ফেলে রাখো। এই ভালোবাসার গালভরা নাম নেই, তাই হয়তো দাম নেই। জানো? সেই অবহ
চিঠিপত্রগুলো লাল বাক্সে জমা হওয়ার পর প্রায়শই অযত্নের শিকার হয়। বৃষ্টির জলে ভিজে বা রোদে শুকিয়ে অক্ষরের মায়া হারিয়ে যায়। প্রাপকের ব্যস্ততা বা উদাসীনতার কারণে চিঠির ভেতরের আবেগ ও ভালোবাসা উপেক্ষিত থাকে। এমনকি চিঠিগুলো যে অবহেলায় পড়ে আছে, তাও যেন প্রাপক জানেন।
এই অবহেলা সত্ত্বেও, প্রেরক চিঠির মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে চলেছেন। পাটের শাড়ির আঁচলে বেঁধে রাখা এই অনুভূতিগুলো দায়সারা উত্তর বা ক্ষণিকের মায়ার মতো। প্রেরক চান, তার ভালোবাসা যেন বুনোফুলের মতো সতেজ ও স্বতঃস্ফূর্ত থাকে। সবুজ পাতায় লেখা চিঠিগুলো এইভাবেই অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে।
এই সংবাদটি ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং সামাজিক অবহেলার মধ্যেকার সম্পর্ককে তুলে ধরে, যা মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের একটি সাধারণ চিত্র।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →