বাস্তব কৌশলের চেয়ে ‘ফিল গুড’ লক্ষ্য বেশি
প্রস্তাবিত বাজেট পড়ে প্রথম যে বিষয়টি চোখে পড়ল, তা হলো খণ্ড খণ্ড, তবে এতে যথেষ্ট আন্তরিক কিছু প্রচেষ্টা আছে। করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার উদ্যোগ, উৎসে করকে অগ্রিম করে রূপান্তরের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং অতিরিক্ত উৎসে কর ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা—এগুলো অর্থনীতিকে চাঙা করা এবং মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। কিডনির রোগীদের ডায়ালাইসিস সরঞ্জাম ও হৃদ্রোগ চিকিৎসার উপকরণ আমদানিতে কর সুবিধার মতো খুচরা পদক্ষেপও রয়েছে বেশ ক
প্রস্তাবিত বাজেট কিছু ইতিবাচক উদ্যোগের ইঙ্গিত দিলেও সামগ্রিকভাবে ‘ফিল গুড’ লক্ষ্যমাত্রার আধিক্য এবং কৌশলগত অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখা, এবং ব্যবসায়ীদের জন্য উৎসে করকে অগ্রিম হিসেবে গণ্য করার মতো পদক্ষেপগুলো অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রচেষ্টা নির্দেশ করে। তবে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বজনীনতার লক্ষ্য থাকলেও মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সেবার মানোন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশলের অভাব রয়েছে।
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে মূলধন সরবরাহের পরিকল্পনা ইতিবাচক হলেও, জিডিপির তুলনায় কৃষি খাতে বরাদ্দ হ্রাস উদ্বেগের বিষয়। বাজেট বক্তৃতায় প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি বৃদ্ধি এবং নতুন আয়ের উৎস অনুসন্ধানে কৌশলগত আলোচনার অভাবও স্পষ্ট। ব্যয় অদক্ষতা এবং পরিচালন ব্যয়ের আধিক্য বাজেট বাস্তবায়নের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই বাজেট প্রস্তাবনা দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →