সাঁথিয়ার মরিচ চাষিরা বাম্পার ফলনেও লোকসানে
‘হাটে এখন ১৫-১৬ টাকা কেজি দরে মরিচ বেচতেছি। অথচ জমি থেকে এক কেজি মরিচ তুলতিই শ্রমিককে দেওয়া লাগে ১০ থেকে ১২ টাকা। এর সঙ্গে হাটে আনা ও বাড়িতে ফেরার খরচ আছে কেজিতে আরও ৩-৪ টাকা। তাহলে মরিচ বেইচ্যা খালি তোলার আর আনার খরচই কোনোরকমে উঠতেছে। সার, বীজ, ওষুধ আর জমির বর্গার (ভাড়া) খরচ তো পুরাটাই লস।’ কথাগুলো বলছিলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বায়া গ্রামের কৃষক আইয়ুব আলী সরদার। ভালো ফলনের মধ্যেও কাঁচা মরিচের দাম পড়ে যাওয়ায় লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। তাঁর মতো উপজেলার হাজারো মরিচচাষির অবস্
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকরা প্রতি কেজি মাত্র ১৫-১৬ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচও উঠছে না বলে তারা জানিয়েছেন। শ্রমিক মজুরি, পরিবহন খরচ এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় নিলে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে।
উপজেলার হাজারো মরিচ চাষি ভালো ফলনের পরও আর্থিক সংকটে পড়েছেন। যদিও ফলন ভালো হয়েছে, কিন্তু বাজারে সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম অনেক কম, যা কৃষকদের হতাশ করেছে।
মরিচের দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ তুলতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →