সমুদ্রের নিচে বাণিজ্যিক ডেটা সেন্টার চালু করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে ডেটা সেন্টারের চাহিদা। তবে এসব ডেটা সেন্টার পরিচালনায় প্রয়োজন হয় বিপুল বিদ্যুৎ, পানি ও জায়গার। ফলে কম খরচে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে ডেটা সেন্টার পরিচালনার নতুন পথ খুঁজছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সমুদ্রের নিচে বাণিজ্যিক ডেটা সেন্টার চালু করেছে চীন। ‘সাংহাই লিংগাং আন্ডারসি ডেটা সেন্টার ডেমনস্ট্রেশন প্রজেক্ট’ নামের ডেটা সেন্টারটি সাংহাইয়ের পূর্বাঞ্চলের লিংগাং এলাকায় অবস্থিত। উচ্চ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের সঙ্গে ডেটা সেন্টারের চাহিদা বাড়ায় চীন সমুদ্রের নিচে একটি বাণিজ্যিক ডেটা সেন্টার চালু করেছে। সাংহাইয়ের লিংগাং এলাকায় অবস্থিত এই ডেটা সেন্টারটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ মিটার নিচে স্থাপন করা হয়েছে এবং এটি গত মে মাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। হাইক্লাউড টেকনোলজি ও চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই ডেটা সেন্টারটি তৈরিতে প্রায় ২২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে। এটি প্রচলিত ডেটা সেন্টারের চেয়ে ২২ শতাংশ কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এবং এর প্রায় ৯৫ শতাংশ শক্তি সমুদ্রভিত্তিক বায়ুবিদ্যুৎ থেকে আসে। এছাড়াও, এটি ৯০ শতাংশ কম পানি ব্যবহার করে, কারণ সমুদ্রের পানি সার্ভার শীতল রাখতে সাহায্য করে। তবে, পরিবেশবিদেরা সমুদ্রতলের পলিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ ডেটা সেন্টার পরিচালনার খরচ কমাতে এবং পরিবেশগত প্রভাব হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি পরিকাঠামোর জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →