যে নীরবতা ইমরান খানকে মাটিচাপা দিল
পশ্চিমা বিশ্বের কিছু মুসলিম বুদ্ধিজীবীর মধ্যে এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। তাঁরা প্রায় সব জায়গাতেই ইসলামোফোবিয়া বা ইসলামবিদ্বেষ খুঁজে পান। কিন্তু যেখানে এ বিষয়ে কথা বললে নিজের অবস্থান, সুবিধা বা নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, সেখানে তাঁদের ভাষা হঠাৎ নীরব হয়ে যায়। এই বুদ্ধিজীবীরা সাধারণত প্যারিসে দাঁড়িয়ে বিশ্লেষণ করেন, দিল্লিতে গিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান, গাজা প্রসঙ্গে বজ্রকণ্ঠ হন আর ওয়াশিংটনে সাম্রাজ্যবাদ ব্যাখ্যায় খুব দক্ষ। কিন্তু পাকিস্তানে যখন মুসলিম রাজনৈতিক শক্তিকে
পশ্চিমা বিশ্বের কিছু মুসলিম বুদ্ধিজীবী প্রায়শই ইসলামোফোবিয়ার কথা বলেন, কিন্তু যখন পাকিস্তানে মুসলিম রাজনৈতিক শক্তিকে দমন করা হয় এবং ইমরান খানকে কারাগারে রাখা হয়, তখন তাদের কণ্ঠ নীরব হয়ে যায়। এই বুদ্ধিজীবীরা প্যারিস, দিল্লি, গাজা বা ওয়াশিংটনে সোচ্চার হলেও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়নের বিষয়ে মন্তব্য করতে দ্বিধা বোধ করেন। ইমরান খানকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে না রাখলেও, তিনি ইসলামোফোবিয়ার প্রশ্নটিকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরে মুসলিমদের মর্যাদাকে আত্মসম্মানের বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। তার সমর্থকরা মনে করতেন মুসলিমদের স্বাধীনতা কেবল নির্দিষ্ট কিছু শক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকার বাধ্যবাধকতা নয়। কিন্তু বর্তমানে যখন তিনি সেসব শক্তির হাতে বন্দী, তখন এই বুদ্ধিজীবীদের নিরাপদ নীরবতা সুবিধাজনক বলে মনে হচ্ছে। এটি ইসলামোফোবিয়ার ধারণার একটি দ্বৈত মানদণ্ড প্রদর্শন করে, যা পশ্চিমা রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হলেও পাকিস্তানের মতো বাস্তবতায় রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে হারিয়ে যায়।
এই প্রতিবেদনটি পশ্চিমা মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সুবিধাবাদী নীরবতা এবং দ্বৈত মানদণ্ড প্রকাশ করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে মুসলিমদের অধিকার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →