ইলন মাস্কের সম্পদ বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের ১৩ গুণের বেশি
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ঘোষণা করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। আমাদের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য এই সংখ্যা বেশ বড়। আমরা যদি এই বিশাল অঙ্কের টাকাকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি–দুনিয়ার শীর্ষ ধনী, প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তিপণ্যের মূল্যের সঙ্গে তুলনা করি, তবে সমীকরণটি কেমন দাঁড়াবে, তা জেনে নেওয়া যাক। বিশ্বের শীর্ষ ধনী এবং টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সের মালিক ইলন মাস্কের সম্পদের কথা ধরা যাক প্রথমে। ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নেয়ার্স তালিকা অনুযায
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এই বাজেটের তুলনায় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৩ লাখ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের বাজেটের ১৩ গুণেরও বেশি। ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী, ইলন মাস্ক বর্তমানে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার। ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্পদ বাংলাদেশের বাজেটের তিন গুণেরও বেশি। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল একাই বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি আয় করেছে। এই বিশাল আর্থিক তুলনাগুলো উন্নয়নশীল দেশের বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিপুল সম্পদের পার্থক্যকে স্পষ্ট করে তোলে। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট দিয়ে প্রায় ৬ কোটি ৯৩ লাখটিরও বেশি আইফোন ১৭ প্রো কেনা সম্ভব।
এই তথ্যটি বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিপুল সম্পদের সঙ্গে উন্নয়নশীল দেশের জাতীয় বাজেটের আকারের একটি চমকপ্রদ তুলনা উপস্থাপন করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →