পরিচয়হীন দুলালী: অবহেলা ও মৃত্যুর প্রশ্ন
মা জানতেন না, তাঁর হারিয়ে যাওয়া মেয়ে রাজধানীর কোনো এক ফুটপাতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ভাই জানতেন না, শেষবিদায়ের আগেই বোনকে বেওয়ারিশ হিসেবে কবর দেওয়া হবে। আর যে নারী নাম ভুলে গিয়ে নিজেকে ‘দুলালী’ বলতেন, তিনি হয়তো জানতেন না—তাঁর চিকিৎসার জন্য এক যুবক এক এক করে আটটি হাসপাতাল ঘুরেছেন, প্ল্যাকার্ড হাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত পরিচয় মিললেও বাঁচানো যায়নি দুলালীকে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে স্বামীর ঘর ছেড়ে এসেছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন দুলালী। তখন থেকেই পরিবারের
পরিচয় জানার পরও ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে দাফন হওয়া দুলালী নামের এক নারীর মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে নিজের নাম ও পরিচয় হারিয়ে ফেলেন তিনি। রাজধানীর মিরপুরের ফুটপাতে অবহেলা, ক্ষুধা ও অসুস্থতায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর লাশ ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে দাফন করা হয়। এক যুবক তাঁর চিকিৎসার জন্য আটটি হাসপাতাল ঘুরেও ব্যর্থ হন। পরিচয় মিললেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনা রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারের দায়বদ্ধতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনাটি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং রাষ্ট্রীয় সহায়তার অভাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে সামনে এনেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →