যাওয়ার জায়গা নেই
বারান্দাটা বেশ বড়, ১১ তলা বাসা। আশপাশে সব বাসাই ৫ তলা। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সামনে তাকালে নিজেকে কেমন নিঃসঙ্গ লাগে। অনেক দেখেশুনেই বাসাটা ভাড়া নিয়েছি। পুরো পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার হাস্যকর চেষ্টা। নেটওয়ার্কের বাইরে যেতে পারলে আরও ভালো হতো। মাঝেমধ্যে মানুষদের কাছ থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছা করে। অনেক টাকা হলে হয়তো একদিন কোনো দ্বীপে চলে যাব। সঙ্গে থাকবে এক ট্রাক বই। দু–চারটা কুকুর-বিড়াল-পাখি সঙ্গী হিসেবে নিলে খারাপ হয় না। এখন এটা করা সম্ভব নয়। ১০-৫টার চাকরিতে মাস না ঠেকলে পকে
১১ তলার একটি ফ্ল্যাটের বড় বারান্দা থেকে বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার একাকীত্বের চেষ্টা করছিলেন একজন ব্যক্তি। তিনি মানুষের ভিড় থেকে দূরে, নিজের মতো করে নিঃসঙ্গতা উপভোগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার এই ইচ্ছের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইরা নামের এক মেয়ে, যে কিনা তার সঙ্গে থাকতে এসেছে। বারান্দায় চা বানিয়ে, গান শুনে একাকী সময় কাটানোর পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ইরা প্রায় রাতেই ঘুমের মধ্যে কাঁদে, যা দেখে লেখকের মন ব্যথিত হয়। তিনি মনে করেন, বিজ্ঞান একদিন মনের রোগের নিরাময় করতে পারবে, কিন্তু ততদিনে হয়তো তিনি থাকবেন না। এই অবস্থায়, তিনি ইরাকে তার জীবন থেকে চলে যেতে বলতে চান, কিন্তু বোঝেন যে ইরার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।
এই গল্পটি আধুনিক শহুরে জীবনে একাকীত্ব, বিচ্ছিন্নতা এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →