রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকির মধ্যে বসবাস
রাঙামাটিতে টানা ভারী বর্ষণে ২০১৭ সালের ১৩ জুন ঘটে যাওয়া ভয়াবহ পাহাড়ধস পুরো দেশকে কাঁদিয়েছিল। চারপাশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও শতাধিক মানুষের প্রাণহানির সেই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বজন হারানোর আর্তনাদ আজও পাহাড়ের বাতাসে কান পাতলে শোনা যায়। সেই ভয়াল রাতেই ভেদভেদী এলাকার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে হারিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী রুমি আক্তারকে। স্ত্রীর মৃতদেহটি পর্যন্ত তিনি আজও খুঁজে পাননি। সেই বুকফাটা বেদনা নিয়েই তিনি বেঁচে আছেন। এমন অনেক করুণ স্মৃতির পরেও ঝুঁকিপূর্
রাঙামাটিতে টানা ভারী বর্ষণের কারণে ২০১৭ সালের ভয়াবহ পাহাড়ধসের স্মৃতি এখনো টাটকা। সেই ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং অনেকে স্বজন হারিয়েছেন। এত কিছুর পরেও, মানুষ এখনো পাহাড়ের নিচে ও খাড়া ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিকল্প বাসস্থানের অভাব এবং অসচেতনতার কারণে অনেকে পাহাড় কেটে বা অস্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করে বসতি স্থাপন করেছেন। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো নতুন করে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে। ভেদভেদী, শিমুলতলী এবং নতুন পাড়া এলাকায় এই চিত্র বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
এটি বর্ষাকালে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →