সময়ের প্রহেলিকা
ধরুন, টাইম মেশিন আবিষ্কৃত হয়েই গেছে। চাইলে অতীত ভ্রমণ করতে পারবেন আপনি। চট করে চলে গেলেন অতীতে। কোনো ঘটনা বদলে দিলেন কিংবা বাঁচানোর চেষ্টা করলেন অকালপ্রয়াত প্রিয়জনকে। আসলেই তা পারবেন কি? সময় কি আপনাকে ক্ষমা করবে? ২৮ জুন ২০০৯। আমাদের কালের নায়ক, বিখ্যাত ব্রিটিশ জ্যোতিঃপদার্থবিদ স্টিফেন হকিং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ এক পার্টির আয়োজন করলেন। ব্যানার-ফেস্টুন, বেলুন থেকে শুরু করে শ্যাম্পেইনের মতো পানীয়—কী ছিল না সেই পার্টিতে! আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বহু অতিথিকেও। মজা
টাইম মেশিন আবিষ্কৃত হলে কি অতীতে গিয়ে কোনো ঘটনা বদলানো সম্ভব? স্টিফেন হকিংয়ের এক পার্টিতে ভবিষ্যৎ থেকে কোনো সময় পরিব্রামক না আসায় তিনি একে সময় পরিভ্রমণের অসম্ভবতার প্রমাণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। বিজ্ঞানীরা বরাবরই সময়কে নদীর মতো বহমান এবং অপরিবর্তনীয় বলে মনে করেছেন। কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যে, যেমন এইচ জি ওয়েলসের 'দ্য টাইম মেশিন' এবং চলচ্চিত্রে 'ব্যাক টু দ্য ফিউচার'-এর মতো কাজগুলো সময় পরিভ্রমণের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছে। মানুষের মনে শৈশবে ফিরে যাওয়া, প্রিয়জনের সান্নিধ্য পাওয়া বা ভুল শোধরানোর তাগিদ থেকে সময় পরিভ্রমণের ইচ্ছা জাগে। তবে হকিংয়ের পরীক্ষা এবং বৈজ্ঞানিক মতবাদ অনুযায়ী, সময়কে বশ মানানো হয়তো কোনোদিনই সম্ভব হবে না।
সময় পরিভ্রমণের ধারণাটি মানবজাতির জন্য চিরন্তন কৌতূহলের বিষয়, যা বিজ্ঞান ও কল্পনার জগতে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →