নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে মিষ্টির দোকান ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন হিরা
কপোতাক্ষ নদের পাড় ঘেঁষে কাশির হাটখোলায় ছোট্ট একটি মিষ্টির দোকান। কাচের বাক্সে সারি সারি সাজানো রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম, গজা। সামনে আরেকটি বাক্সে পেঁয়াজু ও শিঙাড়া। দোকানের এক পাশে খেলছে তিন শিশু। আর ভেতরে মিষ্টির পাত্র গুছিয়ে রাখছেন এক নারী। তাঁর নাম হিরা মণ্ডল (৩০)। ব্যবসা কেমন চলছে—জানতে চাইলে মৃদু হেসে তিনি বলেন, ‘এই তো ব্যবসা চলতিছে কোনো রকমে। অনেক কষ্ট কইরে আবার দোকানডা দাঁড় করাইছি। এখন নতুন করে শুরু করছি সব।’ বৃহস্পতিবার সকালে দোকানে বসেই নিজের জীবনের গল্প বলছিলেন হিরা ম
খুলনার কয়রা উপজেলার কাশির হাটখোলায় হিরা মণ্ডল নামের এক নারী নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর একটি মিষ্টির দোকান দিয়ে নতুন জীবন শুরু করেছেন। ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড় আম্পান এবং কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে তাঁর বাড়ি ও মিষ্টির দোকান বিলীন হয়ে যায়। এরপর তিনি ও তাঁর পরিবার বাঁধের উঁচু অংশে আশ্রয় নেন এবং পরে খাসজমিতে ঘর তোলেন। জীবিকার তাগিদে হিরা নোনাপানিতে বাগদার পোনা ধরে এবং তাঁর স্বামী ভ্যানগাড়ি চালিয়ে সংসার চালাতেন। সব হারানোর পরও স্বপ্ন না ছেড়ে হিরা মিষ্টির ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি একজন প্রবীণ মিষ্টি কারিগরের কাছ থেকে ছানার মিষ্টি তৈরির কৌশল শিখেছেন। বর্তমানে তাঁর দোকানে রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম, গজা, পেঁয়াজু ও শিঙাড়া বিক্রি হচ্ছে।
এই গল্পটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে একজন নারীর টিকে থাকার লড়াই এবং নতুন করে জীবন গড়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতিফলন।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →