বাজেটে কোরআনের মৌলিক দর্শন: অপচয় রোধ ও মিতব্যয়িতা
জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ ঘাটতি থাকার অন্যতম কারণ অনুৎপাদনশীল খাতে অতিরিক্ত ব্যয়, সরকারি ক্রয়ে অস্বচ্ছতা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কারণে অর্থের অপচয়। অর্থনীতির এই টানাপোড়েনের প্রভাব যখন ব্যক্তি জীবনে এসে পড়ে, তখন সাধারণ নাগরিককেও টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত—উভয় পর্যায়ের বাজেট ব্যবস্থাপনায় অপচয়, বিলাসিতা রোধ এবং মিতব্যয়িতা অবলম্বনের ব্যাপারে ইসলামে নির্দেশনা রয়েছে। অপব্যয়ে কোরআনের সতর্কতা ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানা
জাতীয় বাজেটের ঘাটতির অন্যতম কারণ অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয়, অস্বচ্ছতা এবং প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতায় অর্থের অপচয়। ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে আল্লাহর আমানত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং অপচয়কে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কোরআনে অপচয়কারীদের শয়তানের ভাই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় তহবিলের অর্থ বিলাসিতায় খরচ করা ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থী। খলিফা আলী (রা.) রাষ্ট্রীয় অর্থের সামান্যতম অপচয়ও সহ্য করতেন না। জাতীয় সংকটের সময় বিলাসী পণ্য আমদানির পেছনে বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করাও ইসলামি বিধানের পরিপন্থী। বাজেটে মধ্যপন্থা অবলম্বন এবং অপচয় ও বিলাসিতা রোধ করে মিতব্যয়িতা অবলম্বনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় উভয় বাজেটের জন্যই প্রযোজ্য।
রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বাজেট ব্যবস্থাপনায় কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী অপচয় রোধ ও মিতব্যয়িতা অবলম্বনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →