মুখোশের আড়ালে ক্লান্ত গোয়েন্দা: স্পাইডার-নয়ার
লাল-নীল স্যুটে আকাশচুম্বী দালানকোঠার এপাশ থেকে ওপাশে মাকড়সার জাল ছুড়ে ঝুলে বেড়ানো স্পাইডার–ম্যানের দুনিয়া থেকে যদি সব রং মুছে ফেলা হয়? যদি তাকে ফেলে দেওয়া হয় নিউইয়র্কের অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে আর অপরাধীতে গিজগিজ করা কোনো গলিতে? স্পাইডার–ভার্সের অগণিত স্পাইডার–ম্যানের ভিড়ে আসলেই এমন একজন আছেন। তাঁর দুনিয়া বিষণ্নতায় সাদা–কালো। চিরচেনা স্পাইডার–ম্যানের এই ডার্ক, ট্র্যাজিক ও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী রূপটি নিয়েই অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে এসেছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘স্পাইডার-নয়ার’। আর এই লাইভ-অ্য
অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘স্পাইডার-নয়ার’, যেখানে নিকোলাস কেজ নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন। সিরিজটি ১৯৩০-এর দশকের নিউইয়র্কের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, যেখানে মহামন্দা ও অপরাধের রাজত্ব। এই সিরিজে স্পাইডার-ম্যানের পরিচিত রূপের পরিবর্তে একজন বয়স্ক, বিষণ্ন ও জীবনের কাছে মার খাওয়া গোয়েন্দা, যার নাম ‘দ্য স্পাইডার’ বা বেন রাইলি, তার গল্প বলা হয়েছে। সনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওর মধ্যকার আইনি জটিলতা এবং নির্মাতাদের সৃজনশীল স্বাধীনতা—এই দুই কারণে পিটার পার্কারের পরিবর্তে বেন রাইলি চরিত্রটি আনা হয়েছে। পাঁচ বছর আগে তার ভালোবাসার মানুষ রুবি উইলিয়ামসকে বাঁচাতে না পারার অপরাধবোধ তাকে তাড়া করে ফেরে, এবং সে এখন ছোটখাটো কেস সমাধান করে দিন কাটায়।
পরিচিত সুপারহিরো চরিত্রগুলোর নতুন ও ভিন্নধর্মী উপস্থাপন দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করে এবং ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প বলার সুযোগ সৃষ্টি করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →