নাঈম হাসানকে মারধর, এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে খুলশী থানায় নিয়ে গিয়েও হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ নাঈমের। এ ঘটনায় পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনকে নগরের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকেটার নাঈম হাসান রাতে সাংবাদিকদের জানান, ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিন
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রাম শহরে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে লালখান বাজার এলাকায়। অভিযোগ অনুযায়ী, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে নাঈমকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হেনস্তা করা হয় এবং পরিচয় দেওয়ার পরও খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। সাদা পোশাকে থাকা এক ব্যক্তিও তাকে মারধর করেন। প্রায় ১০০-২০০ লোক জড়ো হলেও পুলিশ তাদের মারধর থামায়নি। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানেও হেনস্তা করার অভিযোগ করেন নাঈম। এই ঘটনার পর এসআই শফিকুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। নাঈম হাসান এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
একজন জাতীয় ক্রিকেটারের সাথে পুলিশের এমন আচরণ এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার ঘটনাটি জনমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →