ইউরোপে পরিবার রেখে ফুটবলার গড়ছেন লাইজু

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
ইউরোপে পরিবার রেখে ফুটবলার গড়ছেন লাইজু

কারও পায়ে বুট নেই, কারও গায়ে নেই নাম-নম্বর লেখা জার্সি। কিন্তু চোখে আছে স্বপ্ন। কেউ জাতীয় দলে খেলতে চায়, কেউ গায়ে তুলতে চায় বড় কোনো ক্লাবের জার্সি। সেই স্বপ্নগুলোর পাশে প্রতিদিন ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকেন একজন মানুষ। তাঁর নাম জালাল হোসেন। তবে কুড়িগ্রামে সবাই তাঁকে চেনেন এক নামেই—লাইজু। নিজের অর্থ, শ্রম আর সময় ঢেলে তিনি গড়ে তুলেছেন কুড়িগ্রাম ফুটবল প্রশিক্ষণ স্কুল। যার একটাই লক্ষ্য—তৃণমূলের ছেলে-মেয়েদের মাঠে ফিরিয়ে আনা, তাদের পায়ে একটি ফুটবল তুলে দেওয়া। ২০১৭ সালে ‘একটি বল, একটি গ্

জালাল হোসেন, যিনি কুড়িগ্রাম অঞ্চলে লাইজু নামে পরিচিত, নিজের অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে কুড়িগ্রাম ফুটবল প্রশিক্ষণ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। ২০১৭ সালে 'একটি বল, একটি গ্রাম, ফুটবলের নগরী কুড়িগ্রাম' স্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের লক্ষ্য তৃণমূলের ছেলে-মেয়েদের ফুটবল খেলার সুযোগ করে দেওয়া। লাইজু, যিনি একসময় পোশাকশিল্পে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন এবং অবসরের পর ইউরোপে পরিবারের কাছে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কুড়িগ্রামে ফিরে আসেন। তিনি মনে করেন, কুড়িগ্রামের এক হাজার শিশু-কিশোর তার 'সন্তান' এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে তিনি সহায়তা করতে চান। স্কুলটি শুধু ফুটবল প্রশিক্ষণই দেয় না, অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ বহন করে, তাদের বই-খাতা, জার্সি ও বুট কিনে দেয়। লাইজু নিজেও খেলোয়াড়দের জন্য পুষ্টিকর খাবার ও অন্যান্য সহায়তা প্রদানে সচেষ্ট, যদিও তার আর্থিক সামর্থ্য সীমিত।

লাইজুর এই উদ্যোগটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য খেলাধুলার মাধ্যমে জীবন পরিবর্তনের একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ।

📌 Kaynak

Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön