বাজেটে বাস্তববাদ ও আশাবাদের দ্বন্দ্ব
আমার কাছে এবারের প্রস্তাবিত বাজেট মূলত দুটি দৃষ্টিভঙ্গির দ্বন্দ্ব হিসেবে মনে হয়েছে—একদিকে বাস্তববাদ (রিয়েলিজম), অন্যদিকে আশাবাদ (অপটিমিজম)।নীতিকাঠামো নিয়ে খুব বড় মতভেদ নেই। পার্থক্যটা তৈরি হয়েছে সময়, সক্ষমতা ও প্রত্যাশার জায়গায়। একটি পক্ষ বলছে, অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সংকট ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম বছরের প্রধান কাজ হওয়া উচিত অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। সরকারের ঘোষিত তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনার প্রথম ধাপ পুনরুদ্ধার—এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস
প্রস্তাবিত বাজেটটি বাস্তববাদ ও আশাবাদের মধ্যে একটি দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছে। একদিকে, অর্থনীতিবিদরা বর্তমান সংকট ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতার নিরিখে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার ওপর জোর দিচ্ছেন, যা সরকারের ঘোষিত পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার প্রথম ধাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে, রাজনীতিবিদ ও প্রশাসনের একটি অংশ জনগণের কাছে কিছু অর্জন তুলে ধরার জন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার পূরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন। এই আশাবাদী অবস্থান দৃশ্যমান লক্ষ্য অর্জনে মনোনিবেশ করে, কিন্তু এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা কঠিন হতে পারে। বাজেটে সংস্কারের কথা বলা হলেও, তা বাস্তবায়নের জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অভাব রয়েছে। এছাড়া, সম্পদ সংগ্রহের চ্যালেঞ্জের মুখে উচ্চাভিলাষী ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, যা বাজেট সহায়তার ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
বাজেটে বর্ণিত বাস্তববাদী ও আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির দ্বন্দ্ব দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ এবং এর ভবিষ্যৎ গতিপথের উপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →