ঘুমকাড়ানি খেলা
ভেবে দেখলাম যে ইনসমনিয়ায় ভোগা মানুষের সুদিন এসেছে। তাঁরা নির্দ্বিধায় নিদ্রাহীন অবস্থায় বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচগুলো দেখতে পারবেন। দেখার আনন্দ উপভোগ করতে তাঁদের কোনো অসুবিধা হবে না। ইচ্ছা হলে মাঝে মাঝে ফ্লাস্কে রাখা চা-কফি আর সঙ্গে এটা-ওটা স্ন্যাকসও খেতে পারবেন। সেই সঙ্গে ডাক্তারদের নির্দেশিত ওষুধপাতি তো চলবেই। মোটকথা তাঁদের নির্ঘুম অবস্থাটা বিশ্বকাপ দেখার আনুকূল্য পাবার মতো। তবে এবার বিভিন্ন সময় নির্ধারিত হয়েছে খেলার। কোনোটা রাত ১১টায়, কোনোটা সকাল ৬টা-৭টায়। এই রকমের সব উল্টাপাল্ট
বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়সূচি পরিবর্তনের ফলে ইনসমনিয়ায় ভোগা মানুষের জন্য খেলা দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে, তবে উল্টাপাল্টা সময়ে খেলা হওয়ায় তা কঠিনও বটে। লেখক নিজেও মধ্য-আশি বছর বয়সেও ঘুমকাতুরে হওয়ায় খেলা দেখতে গিয়ে নিদ্রার কাছে হার মানেন। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে পারলেও মেক্সিকো-সাউথ আফ্রিকার খেলাটি দেখতে পারেননি। তিনি মেক্সিকো জয়ে আনন্দিত কারণ তিনি দেশটি ভ্রমণ করেছেন এবং সেখানকার সংস্কৃতি ভালোবাসেন। লেখক মনে করেন, মেক্সিকো একটি 'ঈষৎ ছোট জায়ান্ট' দল। তিনি যে দেশগুলো ভ্রমণ করেছেন, সেগুলোর প্রতি তাঁর এক ধরনের ভালোলাগা তৈরি হয় এবং বিশ্বকাপে তিনি তাদেরই সমর্থন করেন। তবে দুটি সমর্থিত দেশ মুখোমুখি হলে তিনি 'টস' করে সিদ্ধান্ত নেন। খেলাধুলা ও রাজনীতির বাইরেও ফিফা কাপ, ইউরোপিয়ান কাপ ইত্যাদি ফুটবল প্রতিযোগিতা হয়, তবে তিনি সব খবর রাখেন না।
বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়সূচি এবং ব্যক্তিগত অভ্যাসের মধ্যে সমন্বয় করতে গিয়ে লেখকের নিদ্রা ও খেলা দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যা ক্রীড়া আসক্তির একটি ভিন্ন দিক উন্মোচন করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →