শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে বাজেটে নানা ছাড়
সুযোগ–সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিকস শিল্প বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর, জুয়েলারি, জাহাজ, ড্রেজারসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন খাত শুল্ক ও করছাড়ের মতো সুবিধা পেয়েছে বাজেটে। তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত নতুন করে আরও সুবিধা পেয়েছে। দেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ তিন বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে। এতে করে নতুন কর্মসংস্থান কম হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য ফেরাতে ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের আস্থা ফেরাতে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ
প্রস্তাবিত বাজেটে ইলেকট্রনিকস, বৈদ্যুতিক গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর, জুয়েলারি, জাহাজ এবং ড্রেজারসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন শিল্প খাতে শুল্ক ও করছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য ফেরাতে এবং আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ ইলেকট্রনিক পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতি ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানিতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি সংযোজন শিল্পে কম করহার নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পরিবেশবান্ধব গাড়ি উৎপাদনেও শুল্ক-করে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। জুয়েলারি শিল্পে ভ্যাট কমানো হয়েছে এবং তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতেও বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এই ছাড়গুলো শিল্প উৎপাদন পুনরুদ্ধার এবং নতুন বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই নীতিগত ছাড়গুলো দেশের শিল্প খাতের সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →