আম খাওয়ার সঠিক সময় ও পরিমাণ: পুষ্টিবিদের পরামর্শ
বাংলাদেশে ফলের মধ্যে পছন্দের শীর্ষে আমের অবস্থান। এমন দাবি করলে মনে হয় ভুল হবে না। শুধু স্বাদে আর গন্ধেই অতুলনীয় নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর এই ফল। কিন্তু অনেকেই, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা আম খেয়ে ‘অপরাধবোধে’ ভোগেন। আসলে কতটুকু আম খাওয়া নিরাপদ? আম ও ভাতের তুলনামূলক বিশ্লেষণ খোসা ও আঁটি ছাড়া ১০০ গ্রাম আমে ৬৫-৭০ গ্রাম ক্যালরি থাকে। শর্করা ১৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, লৌহ ১ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ২ হাজার ২০০ মাইক্রোগ্রামের ওপর।
আম বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল, যা কেবল স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ১০০ গ্রাম আমে প্রায় ৬৫-৭০ ক্যালরি থাকে এবং এতে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম ও আঁশসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৬৫-৭৫ এর মধ্যে, যা সেদ্ধ ভাতের (গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৭০ এর কাছাকাছি) চেয়ে কম ক্যালরিযুক্ত। আম কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। তবে, আম খাওয়ার পরিমাণ ও সময় নির্ভর করে ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার উপর। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সকালের নাস্তার পরিবর্তে ৩০০-৩৫০ গ্রাম আম খেতে পারেন অথবা ক্যালরি হিসাব করে প্রধান খাবারের বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। আমের সঙ্গে অন্য কোনো শর্করা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো এবং সন্ধ্যার পর আম খাওয়া উচিত নয়। ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগীদের আম খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সঠিক তথ্য প্রদান করে আম খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সহায়তা করবে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →