গণমাধ্যম কমিশনকে প্রকৃত স্বাধীন হতে হবে
বর্তমানে গণমাধ্যমে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে। অপসাংবাদিকতাসহ নানা কর্মকাণ্ডের কারণে এক শ্রেণির গণমাধ্যম প্রশ্নের মুখে পড়ছে। এ জন্য সঠিক সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। এই প্রেক্ষাপটে সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ আশার সঞ্চার করেছে। কিন্তু কমিশনকে হতে হবে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে লাভ হবে না। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। একইসঙ্গে সাংবাদিকতার সুরক্ষার জন্য গণমাধ্য
গণমাধ্যমে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এবং অপসাংবাদিকতার কারণে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, কমিশনকে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে বলে মত দিয়েছেন সম্পাদক ও সাংবাদিকরা। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে কার্যকর হবে না। সাংবাদিকতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষেরও যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে। সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেন, অতীতে কমিশন গঠিত হলেও উদ্দেশ্য অর্জিত হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন প্রত্যাশা করেন, কমিশন অংশীজনদের মতামত নিয়ে কাজ করবে। অ্যাটকো মহাসচিব আব্দুস সালাম বর্তমান মিডিয়া শিল্পের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাদারিত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →