ব্রাজিলের খেলা দেখতে ঢাকা থেকে বন্ধু ও বাবা
খুব ছোটবেলায় এক মাঝরাতে হইচই শুনে ঘুম ভেঙেছিল। আধো ঘুমে শুনেছিলাম, ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতেছে। আমাদের যৌথ পরিবারের মানুষের উচ্ছ্বাস আর উদ্যাপন তখন আমার কাছে ছিল এক বিস্ময়। ফুটবল বুঝতাম না, ভূগোলও না। তবু সেই রাত থেকেই হৃদয়ে গেঁথে যায় একটি নাম—ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে অনেক বছর, জীবনের নানা বাঁক পেরিয়েছি, কিন্তু হলুদ-সবুজ রঙে মাখামাখি পতাকার দেশটির নাম রয়ে গেছে একই জায়গায়। ১৪ জুন প্রথমবারের মতো স্টেডিয়ামে বসে ব্রাজিলের খেলা দেখতে যাচ্ছি। মিশিগান থেকে প্রায় ৬০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে পৌ
লেখক মিশিগান থেকে প্রায় ৬০০ মাইল গাড়ি চালিয়ে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের খেলা দেখতে যাচ্ছেন। শৈশবের স্মৃতি ও বর্তমানের বাস্তবতাকে একসূত্রে গাঁথতে এই দীর্ঘ যাত্রা তার কাছে বিশেষ অর্থ বহন করে। এই বিশেষ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে তার বন্ধু অংকুর ওয়ারেস খান এবং তার বাবা খায়রুল খান বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। লেখক ২০১০ সালে ঢাকায় তাদের বাসায় ভাড়া থাকতেন এবং সেই সময় খায়রুল খান তাকে ব্রাজিলের একটি জার্সি উপহার দিয়েছিলেন। প্রায় এক দশক পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ার উত্তেজনা নেইমারদের খেলা দেখার উত্তেজনার চেয়ে কোনো অংশে কম নয় বলে লেখক মনে করেন।
এই গল্পটি দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, শৈশবের স্মৃতি এবং খেলাধুলার প্রতি আবেগকে তুলে ধরে, যা মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →