আরব শাসকেরা ইসরায়েলের সঙ্গে গোপন আঁতাত
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। যেসব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে (বিশেষ করে আব্রাহাম চুক্তির স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলো, পাশাপাশি জর্ডান ও মিসর), তারা তাদের মৌলিক সম্পর্কগুলো আগের মতোই বজায় রেখেছে। অর্থাৎ বাইরে যতই কঠোর ভাষা ব্য
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর আরব বিশ্বের দেশগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানালেও, তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দেশগুলো (বিশেষ করে আব্রাহাম চুক্তির স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলো) তাদের মৌলিক সম্পর্কগুলো আগের মতোই বজায় রেখেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কূটনৈতিক যোগাযোগ আগের মতোই চলেছে, শুধু প্রকাশ্যে কিছুটা সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। আরব দেশগুলো ইসরায়েলের ওপর কোনো বড় ধরনের অর্থনৈতিক, আইনি বা কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেনি, যা তাদের সম্পর্কের কাঠামোকে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারত। আরব রাষ্ট্রগুলোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ফিলিস্তিনকে বারবার ‘কেন্দ্রীয় ইস্যু’ বলা হলেও, বাস্তবে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের সঙ্গে রাষ্ট্রগুলোর নীতিগত অবস্থানের কোনো মিল নেই। আরব বিশ্বের গণমাধ্যমেও এই দ্বৈততা স্পষ্ট, যেখানে সরকারি টেলিভিশন ও সংবাদমাধ্যমগুলো ইসরায়েলের আগ্রাসনের সমালোচনা করলেও তা নিয়ন্ত্রিত ও সীমিত।
আরব দেশগুলোর এই আপাত অবস্থান এবং গোপন সম্পর্ক ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →