সৌদি জেল থেকে মুক্তি চেয়েছিলেন শাকিল, ফিরলেন নিথর দেহে
সৌদি আরবে মারা যাওয়ার ২৮ দিন পর কিশোরগঞ্জের এক প্রবাসী তরুণের মরদেহ বাড়ি আনা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে সরকারি উদ্যোগে তাঁর মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদরের মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকায় আনা হয়। এ সময় বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। ওই তরুণের নাম শাকিল মিয়া (২৮), তিনি সৌদি আরবের কারাগারে বন্দি ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাত ১২টার দিকে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাকিলের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে আজ সকালে মরদেহটি
সৌদি আরবে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় মারা যাওয়া শাকিল মিয়া (২৮) নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। শাকিল মিয়া কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিয়োগকর্তার সঙ্গে সমস্যায় পড়ে অবৈধভাবে কাজ করার সময় সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন। কারাগারে থাকাকালীন তিনি পরিবারের কাছে জামিনের জন্য টাকা চেয়েছিলেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, কারাগারে একটি এসি বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে। তার পরিবার মরদেহ দেশে আনতে আর্থিক সংকটে পড়লেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহায়তায় সরকারি উদ্যোগে মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
এই ঘটনাটি বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং দেশে তাদের মরদেহ ফেরত আনার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →