এক দুপুরের কষ্ট
একসময় চা-সিগারেটের প্রতি আসক্তি থাকলে ও বর্তমানে সিগারেটকে বিদায় দিয়ে শুধু চা পানের অভ্যাসটাই জিইয়ে রেখেছি। ন্যূনতম প্রতিদিন তিনবার চা খেতে হয়। যেদিন আমার প্রফেশনাল কাজের একাগ্রতায় ডুবে থাকি, সেদিন সংখ্যা আরও ছাড়িয়ে যায়। যাক, সেদিন দুপুরে বিরতির পর প্রতিদিনের মতো ভাতঘুম দিয়েই কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা হলাম। ঢুলু ঢুলু চোখ। ঘুমের রেশ যেন কিছুতেই কাটছে না। সোজা অফিসে না গিয়ে অতিপরিচিত মাড়োয়ারি ক্যাফেটেরিয়ার দিকে এগোলাম। আমার বাসা থেকে নিচে নামতেই মেইন স্ট্রিটেই ক্যাফেটেরিয়া। বেশ স
লেখক চা পানের অভ্যাসে প্রতিদিনের মতো দুপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে একটি ক্যাফেটেরিয়ায় প্রবেশ করেন। সেখানে একটি শিশুর নিষ্পাপ হাস্যোজ্জ্বল মুখ দেখে তিনি মুগ্ধ হন এবং শিশুটির টেবিলের মুখোমুখি বসেন। শিশুটির সঙ্গে তার বাবার খুনসুটি দেখতে দেখতে লেখকের নিজের ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে যায়। তিনি তার ভাইঝি আদৃর কথা ভাবেন, যে তার কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসত। বাবা-মেয়ের খুনসুটির এক পর্যায়ে বাবা মেয়েটির সাধ পূরণ করতে না পেরে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে নেয়। এরপর বাবা মেয়েটিকে নিয়ে উঠতে গেলে লেখক হতবিহ্বল হয়ে যান। শিশুটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিল এবং তার একটি পা কৃত্রিম ছিল। এত অল্প বয়সে পা হারানোর ঘটনা লেখকের মনে গভীর রেখাপাত করে।
The piece offers a poignant reflection on childhood innocence, parental love, and the unexpected hardships some children face, prompting empathy and introspection.
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →