ভূমিকম্প, যুদ্ধ পেরিয়ে বিশ্বকাপে: হাইতির যে গল্প হতে পারে সিনেমা
যুদ্ধ। ভূমিকম্প। পরবাসে খেলার যন্ত্রণা। এত কিছু পেরিয়ে একটা দল জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপে, তা–ও আবার ৫২ বছর পর! স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকাল ভোরে যখন মাঠে নামবে ক্যারিবিয়ান দ্বীপদেশ হাইতি, তাদের গল্পটা আপনাকে রোমাঞ্চিত না করে পারবে না। ১৯৭৪ সালে হাইতি যখন প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছিল, সেই স্মৃতি এখন হাইতিবাসীর অনেকেরই হয়তো মনে নেই। যাঁদের মনে আছে, তাঁরাও বোধ হয় ভুলে যেতে চাইবেন। স্বৈরশাসক পরিবার দুভালিয়েরের অধীনে থাকা দেশটির বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ইতালির বিপক্ষে
যুদ্ধ, ভূমিকম্প এবং পরবাসে খেলার যন্ত্রণা—এত কিছু পেরিয়ে ৫২ বছর পর হাইতি দল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। আগামীকাল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে ক্যারিবিয়ান দ্বীপদেশটি। ১৯৭৪ সালে হাইতির প্রথম বিশ্বকাপ খেলার স্মৃতি অনেকেরই হয়তো মনে নেই। স্বৈরশাসক পরিবার দুভালিয়েরের অধীনে থাকা দেশটির বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো, কিন্তু ডিফেন্ডার আর্নস্ট জাঁ-জোসেফের ডোপ টেস্টে নিষিদ্ধ পদার্থ পাওয়ায় তাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হয়। ২০১০ সালে এক ভয়ংকর ভূমিকম্পে দেশটির ফুটবল কাঠামো ভেঙে পড়ে, ফেডারেশনের সদর দপ্তর ধসে যায়। প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা প্রাণ হারান। এরপর শূন্য থেকে শুরু করে দলটি ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইয়ে কোস্টারিকা, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ার মতো দলের সঙ্গে লড়াই করে গ্রুপ শীর্ষে থেকে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট নিশ্চিত করে। অভ্যন্তরীণ সহিংসতা ও সশস্ত্র সংঘাতের কারণে রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের একমাত্র জাতীয় স্টেডিয়ামটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পুরো বাছাইপর্বে হাইতি তাদের সব ‘হোম’ ম্যাচ খেলেছে কুরাসাওতে।
This story highlights the resilience of a nation and its sports team overcoming immense natural disasters and political turmoil to achieve a significant sporting milestone.
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →