অর্থমন্ত্রীর মতে, শিল্পকে ‘মনিটাইজ’ না করলে শিল্পী বাঁচবে না
শিল্প ও শিল্পীকে টিকিয়ে রাখতে হলে শিল্পকর্মকে পণ্য হিসেবে ‘মনিটাইজ’ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোর পর্যাপ্ত প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। শিল্পকলা হোক, সংগীত হোক ‘মনিটাইজ’ (অর্থ আয়ের উপযোগী) করতে না পারলে উন্নতি করা সম্ভব নয়। ‘মনিটাইজ’ না করতে পারলে শিল্পী বাঁচবেন না। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বেঙ্গল শিল্পালয়ে ‘দ্য লং প্রেজেন্ট: বিস্তৃত বর্তমান’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অন
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিল্প ও শিল্পীকে টিকিয়ে রাখতে হলে শিল্পকর্মকে পণ্য হিসেবে ‘মনিটাইজ’ বা অর্থ আয়ের উপযোগী করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশে সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। শনিবার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে একটি চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং জানান যে গ্রামের কামার-কুমার থেকে শুরু করে থিয়েটারশিল্পী পর্যন্ত সবাইকে মূলধারার অর্থনীতিতে আনার জন্য সরকার নীতি প্রণয়ন ও বাজেট বরাদ্দ করছে। তিনি কেন্দ্রীয় ডিজাইন সেন্টার গঠনের কথাও জানান, যা কারুশিল্পীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করবে। থাইল্যান্ডের ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ মডেলের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ কারুপণ্যও প্রশিক্ষণ, ব্র্যান্ডিং ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্ব বাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
শিল্পকর্মের বাণিজ্যিকীকরণ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য শিল্পখাতের স্থায়িত্ব এবং শিল্পীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →