সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব: গণভোট
কোনো দেশ কি নিজেদের জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিতে পারে? আগামীকাল রোববার এমন এক প্রশ্নেরই জবাব দিতে যাচ্ছেন সুইজারল্যান্ডের ভোটাররা। এদিন দেশের জনসংখ্যা এক কোটিতে সীমিত রাখার এক প্রস্তাবে ভোট দেবেন তাঁরা। তবে এই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে আল্পস পর্বতের দেশটিতে অভিবাসন ইস্যুতে বড় ধরনের বিভক্তি সামনে এসেছে। প্রস্তাবটিতে সমর্থন দিচ্ছে দেশটির ডানপন্থী রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টি। তারা একে একটি ‘টেকসই উদ্যোগ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দলটির দাবি, এই পদক্ষেপের ফলে আবাসন, সরকারি
সুইজারল্যান্ডের ভোটাররা আগামীকাল একটি গণভোটে দেশের জনসংখ্যা এক কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাবে ভোট দেবেন। ডানপন্থী সুইস পিপলস পার্টি এই প্রস্তাবকে 'টেকসই উদ্যোগ' বললেও সরকার, অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং ব্যবসায়ী নেতারা এর বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, এই প্রস্তাব পাস হলে কর্মীসংকট দেখা দেবে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হবে। ২০০২ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আবাসন, পরিবহন এবং চিকিৎসা সেবার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, এই ভোট হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সামান্য ব্যবধানে 'না' ভোট এগিয়ে রয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং অভিবাসন নীতি নিয়ে চলমান বিতর্কের একটি চিত্র তুলে ধরেছে, যা দেশটির ভবিষ্যৎ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →