শামসুর রাহমানের কবিতায় নতুন নান্দনিকতার প্রতিষ্ঠা
শামসুর রাহমান বাংলাদেশের কবিতার ‘শামস’বা সূর্য। বিংশ শতাব্দীর উত্তরার্ধ্ব জুড়ে এ দেশের কবিতায় তিনি সূর্যকিরণ ছড়িয়েছেন। প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের আধুনিক কবিতার নন্দন-অভিজ্ঞতাকে দেশ-কাল-পরিপ্রেক্ষিতের সঙ্গে সমন্বিত করে তিনি কবিতায় এক নতুন নান্দনিকতা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা একই সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক। গতকাল শনিবার কবি শামসুর রাহমান স্মরণে সেমিনারের মূল প্রবন্ধে এভাবেই কবির অবদানের মূল্যায়ন করা হয়। বাংলা একাডেমিতে কবির নামাঙ্কিত শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে ‘শামসুর রাহমানের কবিতার শৈলী
কবি শামসুর রাহমানকে স্মরণ করে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত এক সেমিনারে তাঁর কাব্যিক অবদানের মূল্যায়ন করা হয়েছে। অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক তারানা নূপুর তাঁর মূল প্রবন্ধে বলেন, শামসুর রাহমান প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের আধুনিক কবিতার নন্দন-অভিজ্ঞতাকে দেশীয় প্রেক্ষাপটে সমন্বয় করে এক নতুন নান্দনিকতা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি কবির কবিতাকে পাঁচটি পর্যায়ে ভাগ করে প্রতিটি পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। তাঁর কবিতায় নগর ঢাকার আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা নান্দনিক রূপ পেয়েছে, যা শহরটিকে কবিতার মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলেছে। আলোচক কবি জহির হাসান শামসুর রাহমানকে বাংলা কবিতার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে অভিহিত করেন এবং তাঁর বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। সেমিনারটি ছিল বাংলা একাডেমি আয়োজিত সাহিত্য ক্ষেত্রের কৃতী ব্যক্তিদের জীবন ও কর্ম নিয়ে ধারাবাহিক সেমিনার সিরিজের অংশ।
এই মূল্যায়নটি বাংলাদেশের সাহিত্যে শামসুর রাহমানের সুদূরপ্রসারী প্রভাব এবং তাঁর কাব্যিক শৈলীর স্বতন্ত্রতা অনুধাবনে সহায়তা করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →