নোয়াখালীতে মাদক ব্যবসার অভিযোগে মারধর ও হামলার ঘটনা
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার নদনা ইউনিয়নের উত্তর শাকতলা গ্রাম। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. ফয়েজকে (৩৭) বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যান একই এলাকার একদল লোক। তাঁরা ওই ব্যক্তিকে মারধরের পর মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁর ঘরের পাশে রেখে চলে যান। পরে পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ফয়েজের বাবা মো. জামাল অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ এনে মো. ফয়েজ (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের বাবার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে তাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে মারধর ও বাড়িঘরে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি বেগমগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলায়ও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। সেনবাগে এক স্কুলছাত্র হত্যাকাণ্ডের পর এই ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবের কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনাগুলো আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিপজ্জনক প্রবণতা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →