জলবায়ু পরিবর্তন: এল নিনো বদলাবে 'খোকাবাবু'র দিন
সমুদ্রের তাপমাত্রার বৃদ্ধিকে পেরু আর ইকুয়েডরের আদিবাসীরা আদর করে নাম দিয়েছিল ‘এল নিনো’ বা ‘খোকাবাবু’। এ বছর এর আগমন ঘটেছে ১১ জুন। এল নিনো নিয়ে লিখেছেন নাভিদ সালেহ টাইগ্রিস আর ইউফ্রেটিস নদীর উর্বরতার ইতিহাস আমাদের জানা। জানা সাড়ে পাঁচ হাজার বছর পুরোনো, সভ্যতার পাদপীঠ, মেসোপটেমিয়ার ঝলমলে শহর ব্যাবিলন আর উড়ুকের গল্প। তবে যেটুকু হয়তো খানিকটা কম জানা, তা হলো প্রমত্তা টাইগ্রিস আর ইউফ্রেটিসের জলপ্রবাহ আর প্লাবনের ইতিহাস। মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত ‘ফারটাইল ক্রিসেন্টে’ বা চন্দ্রাকৃতি উর্বর
এল নিনো, যা পেরু ও ইকুয়েডরের আদিবাসীরা 'খোকাবাবু' নামে অভিহিত করত, সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি ঘটনা। এই বছর ১১ জুন এর আগমন ঘটেছে এবং এটি বেশ তীব্র বলে মনে হচ্ছে, যা প্রায় ১৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। মেসোপটেমিয়ার মতো প্রাচীন সভ্যতাগুলিও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল, যেখানে অনিয়মিত জলপ্রবাহের কারণে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট দিনপঞ্জি তৈরি করতে হয়েছিল। এল নিনোর প্রভাব বাংলাদেশের কৃষিতেও পড়তে পারে, বিশেষ করে আমন ধানের ফলনের উপর। প্রশান্ত মহাসাগরের বায়ুপ্রবাহে পরিবর্তনের কারণে বর্ষার আগমন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, সুপরিকল্পিত খাল খননের মাধ্যমে বৃষ্টিহীনতার চাপ মোকাবেলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
This piece connects a current climate phenomenon, El Niño, to historical patterns of human adaptation and its potential impact on agriculture, highlighting the need for proactive measures.
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →