এআইয়ের পর আসছে এজিআই: ডিজাইনারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ
লিখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের (গ্রাফিক ডিজাইন) সহযোগী অধ্যাপক আল মঞ্জুর এলাহী চারদিকে এখন শুধু এআই নিয়ে শোরগোল। চ্যাটজিপিটি, মিডজার্নি বা ডাল-ই দেখে আমরা ভাবছি, প্রযুক্তি বুঝি তার শেষ সীমানায় পৌঁছে গেছে। কিন্তু সত্যি বলতে এখন আমরা যা ব্যবহার করছি, তা কেবল এআই মহাসমুদ্রের একটা ক্ষুদ্র অংশ। যাকে বলে ‘ন্যারো এআই’। একে আপনি যেসব তথ্য-উপাত্ত দিয়ে ট্রেইন করবেন, অর্থাৎ প্রশিক্ষণ দেবেন, সে তার বাইরে এক পা-ও নড়তে পারবে না। মিডজার্নি আপনাকে দারুণ এক
প্রযুক্তি বিষয়ক এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, বর্তমানে আমরা যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছি, তা কেবল 'ন্যারো এআই' বা সংকীর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যা নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করে। আসল বিপ্লব ঘটবে আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (এজিআই) বা সার্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আগমনের পর। এজিআই মানুষের মতো একই সাথে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে সক্ষম হবে এবং এর নিজস্ব কান্ডজ্ঞান থাকবে। বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে, যেখানে টেক্সট-টু-ইমেজ অ্যালগরিদম দিয়ে প্রচুর ছবি তৈরি হচ্ছে। গুগল, ওপেনএআইয়ের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এজিআই তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। এই নতুন প্রযুক্তি ডিজাইনারদের কাজের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিষয়টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ বিবর্তন এবং সৃজনশীল পেশাগুলোতে এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →