ভালোবাসার অন্য নাম ‘ব্রাজিলকোর’
বিশ্বকাপ উপলক্ষে এনদ্রিকের স্ত্রী নখে এঁকেছেন স্বামীর জার্সি নম্বর ‘১৯’ প্রিয় মানুষ যখন বড় কোনো লড়াইয়ে নামেন, তখন আশপাশের মানুষদের কেউ প্রার্থনায় বসে যান, কেউ প্রদীপ জ্বালিয়ে অপেক্ষায় থাকেন। মানুষের ভালোবাসার প্রকাশভঙ্গি বিচিত্র। কিন্তু ফুটবল যে দেশে জীবনযাপনের অংশ, সেই ব্রাজিলে বিষয়টা একটু ভিন্ন রকম। ব্রাজিলে অনেক ফুটবলারের স্ত্রী বা সঙ্গীই খেলার সময়টায় উদ্বেগ কাটাতে প্রার্থনা ছাড়াও বসে যান নেইল পলিশের শিশি নিয়ে। নখের ক্যানভাসে দেশের পতাকা আঁকাটাও তাঁদের কাছে প্রিয়জনে
বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ফুটবলারদের স্ত্রী ও সঙ্গীরা নানাভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করছেন। কেউ স্বামীর জার্সি নম্বর নখে আঁকছেন, কেউ দেশের পতাকার রঙে সাজাচ্ছেন। এনদ্রিকের স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল মিরান্দা তাঁর নখে এনদ্রিকের জার্সি নম্বর ‘১৯’ এঁকেছেন। লুকাস পাকেতার স্ত্রী দুদা ফোরনি ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের সাদা রেখার বদলে সবুজ-হলুদ রঙ ব্যবহার করেছেন। ব্রুনো গিমারায়েসের স্ত্রী আনা লিদিয়া ব্রাজিলের পতাকার রং বেছে নিয়েছেন। ক্যারল ক্যাব্রিনো, যিনি অধিনায়ক মারকিনিওসের স্ত্রী, হলুদ রঙে নখ সাজিয়েছেন। নেইমারের সঙ্গী ব্রুনা বিয়ানকার্দি হাতে সাদা রং করেছেন। রাফিনিয়ার স্ত্রী নাতালিয়া রদ্রিগেস বেলোলি সময়ের অভাবে নিজেই নিজের নখ ডিজাইন করেছেন। এই নখসাজ ‘ব্রাজিলকোর’ বা ‘ব্রাজিলিয়ান অ্যাসথেটিক’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আলোচনায় আসে।
ফুটবল-জননী ব্রাজিলে জাতীয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এক অভিনব সাংস্কৃতিক রীতি তুলে ধরা হয়েছে, যা খেলা দেখার প্রস্তুতিকেও আনন্দময় করে তোলে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →