বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণ
১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি ফুটবল–দুনিয়ার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বিশ্বের অন্যতম উগ্র সমর্থকদের চারণভূমি। বাংলাদেশে এই ফুটবল উন্মাদনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা এর আগেও সহিংস রূপ নিয়েছে—এমনকি তা প্রাণঘাতীও প্রমাণিত হয়েছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন না করলেও, এখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত সক্রিয়। এই দুই পরাশক্তি দলের সমর্থকরা প্রায়শই একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, যা কখনও কখনও প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করে। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছিল বলে একটি গবেষণায় জানা গেছে। এই উন্মাদনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশটির ফুটবল সংস্কৃতির একটি অন্ধকার দিক তুলে ধরে।
ফুটবল নিয়ে দেশের মানুষের আবেগ প্রায়শই সহিংসতায় রূপ নেয়, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →