নীতি পুলিশের মাতবরি কতকাল সহ্য করব?
সামাজিক তথ্যমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে হাত বাঁধা তিনজন নারী দাঁড়িয়ে আছেন। আর শ্বেতশুভ্র শ্মশ্রুধারী বয়স্ক এক ব্যক্তি এক নারীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কাটছেন। নারীটি অসহায়ের মতো ক্ষমা চাইছেন, চুল না কাটার জন্য অনুরোধ করছেন। কিন্তু বয়স্ক লোকটি ক্ষান্ত হন না। আশপাশে উৎসাহী মানুষও তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে, কারও সাহস নেই এই উদ্ধত লোকটির হাত থেকে কাঁচি ছিনিয়ে নেয় অথবা তাঁকে প্রশ্ন করে, গায়ে হাত দেওয়ার, তার মাথার চুল কাটার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে? মূলত চুরির অভিযো
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিন নারীকে গাছে বেঁধে চুল কাটা হচ্ছে। এক বয়স্ক ব্যক্তি নারীর চুল কাটছেন এবং অন্যেরা দর্শক হিসেবে দেখছেন। এটি চুরির অভিযোগে নির্যাতনের একটি ঘটনা। বাউল-ফকিরদের চুল কাটা, সিগারেট খাওয়ার জন্য আক্রমণ, পোশাক নিয়ে টিটকারি এবং গায়ে হাত দেওয়া সবই সামাজিক অনুশাসনের অধীনে ঘটে। এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানেও ঘটছে। এগুলো বেআইনি এবং অনৈতিক হলেও নীরবতা এগুলোকে চালিয়ে রাখে। নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন হয় আইন বিভাগের অনাগ্রহ এবং সাধারণ মানুষের নীরবতার কারণে।
এই ঘটনা নীরবতার কারণে বেআইনি কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →