বাংলাদেশ হয়ে গেল বন্য প্রাণী পাচারের ট্রানজিট রুট
বিরল বন্য প্রাণী পাচারে আন্তর্জাতিক চক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলেছে। মিরপুরের একটি গুদাম থেকে ইগলপ্যাঁচা, রাজধনেশ, চশমাপরা হনুমানসহ ৪২টি প্রাণী উদ্ধারের পর তদন্তে দেখা যায়, বাংলাদেশ এখন শুধু উৎস দেশ নয়; বরং আন্তর্জাতিক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট। রাজধানীর মিরপুরের একটি গুদামে লুকিয়ে রাখা ছিল বিরল প্রজাতির ইগলপ্যাঁচা, হনুমান, রাজধনেশ ও পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপসহ ৪২টি বন্য প্রাণী। বন বিভাগের অভিযানে সেগুলো উদ্ধারের পর সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারের বড় এক
বিশ্বব্যাপী বন্য প্রাণী পাচারের একটি বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলেছে। মিরপুরে একটি গুদাম থেকে ৪২টি বন্য প্রাণী উদ্ধার করা হয়। এর পর তদন্তে জানা যায় বাংলাদেশ এখন শুধু উৎস দেশ নয়, বরং আন্তর্জাতিক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট। বন বিভাগের তদন্তে জানা গেছে যে বিভিন্ন দেশের বন্য প্রাণী বাংলাদেশ রুট ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট জানিয়েছে চক্রটি এক দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছে। হাদিস রহমান কাঁটাবনের একটি পোষা প্রাণীর দোকানে কর্মচারী ছিলেন। তিনি পরে নিজে একটি দোকান খুলেন এবং আন্তর্জাতিক পাচারের চক্রে যুক্ত হন।
বাংলাদেশের ভূমিকা আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচার নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →