এআই প্রযুক্তির কারণে পানির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে
প্রযুক্তি-দুনিয়ায় একটি প্রচলিত ধারণা আছে, প্রযুক্তি যত উন্নত, গতিশীল ও ছোট হবে, তার পেছনে সম্পদের খরচও তত কমবে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ক্ষেত্রে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে। এআই প্রযুক্তির পেছনে কাজ করা ডেটা সেন্টারের সার্ভারসহ বিশাল অবকাঠামো বাস্তবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ নিঃশেষ করে দিচ্ছে। জাতিসংঘের আওতাধীন ইউনাইটেড নেশনস ইউনির্ভাসিটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এআই ডেটা সেন্টারের কারণে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ, পানি ও ভূমির চাহিদা আশঙ্
বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে উন্নয়নের সাথে সাথে সম্পদের খরচ কমানোর ধারণা আছে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। এআই প্রযুক্তির পেছনে কাজ করা ডেটা সেন্টারগুলো প্রচুর পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের আওতাধীন একটি প্রতিবেদনে এআই ডেটা সেন্টারগুলো ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও পানির চাহিদা আশঙ্কাজনক হারে বাড়বে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এআই ডেটা সেন্টারগুলো ঠান্ডা রাখতে বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। এআই ডেটা সেন্টারগুলো বর্তমানে বিশ্বের একটি মাঝারি দেশের সমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। এছাড়া এগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে অবস্থিত। এআই ডেটা সেন্টারগুলো বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন বাড়িয়ে দেবে।
এআই প্রযুক্তির বৃদ্ধি পরিবেশের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ বাড়ছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →