দোতারাবাদক সামাদ মোল্লাহ চায়ের দোকানে গান গাইছেন
বুকে ঝোলানো দোতারা, গায়ে শার্ট, পায়ে চটিজুতা। আপনমনে হেঁটে চলেছেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে। এভাবে গ্রামের মেঠো পথে প্রতিদিন চলাচল করেন দোতারাবাদক আবদুস সামাদ মোল্লাহ (৬৫)। বয়স, অভাব–অনটন আর রোগবালাইয়ের সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করে চলেছেন। একসময় যাত্রাপালার নায়ক থেকে হয়ে যান দোতারাবাদক। এখন চা–দোকানি, এরপরও ছাড়েননি দোতারা। আবদুস সামাদ মোল্লাহ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের একডালা সমাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকায় সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত। এই বয়সেও দোতারা বাজিয়ে গান গেয়ে
দোতারাবাদক সামাদ মোল্লাহ ৬৫ বছর বয়সে গ্রামের মেঠো পথে প্রতিদিন চলাচল করেন। তিনি যাত্রাপালার নায়ক থেকে দোতারাবাদক হয়েছিলেন। এখন চা-দোকানি করেন এবং দোতারা বাজিয়ে গান গাইয়ে বিনোদন দিচ্ছেন। সামাদ মোল্লাহ যাত্রাপালার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিবেক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। কণ্ঠের সমস্যার কারণে তিনি সেই চরিত্র ছেড়ে দেন। ২০০২ সালে যাত্রাদল বিলুপ্ত হয়। তবু দোতারা ছাড়েননি। এখন চায়ের দোকানে কাজ করেন এবং ক্রেতাদের মনোরঞ্জন করেন।
সামাদ মোল্লাহ সংস্কৃতি ও গানের মাধ্যমে মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলেছেন।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →