ফুটপাতের বিক্রেতাদের দিন কেমন কাটে
ঈদের আনন্দ উদ্যাপনে পরিবারের জন্য নতুন কিছু কেনা তো দূরের কথা, বাসাভাড়া ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হয়েছে তাঁদের। ‘এই অল্প বেতন যা পাই, তা দিয়ে ফ্যামিলি চালাতে অনেক কষ্ট হয়। কিন্তু কিছু করার নাই। অনেক জায়গায় চেষ্টা তো করলাম, তেমন কোথাও চাকরি তো পাই না।’ কথাগুলো বলছিলেন মো. আলাল। রাজধানীর মতিঝিলে বাফুফে গলির পাশে একটি খাবারের দোকানে কাজ করেন ২৬ বছরের এই তরুণ। প্রতিদিন মজুরি পান ৩৫০ টাকা। তা দিয়েই চলে সংসার। আলালের সংসার বলতে শুধু মা আর ছোট ভাই। সড়ক দুর্ঘটনায়
ঈদের আনন্দ উদ্যাপনে পরিবারের জন্য কিছু কেনা সম্ভব হয়নি। মো. আলাল প্রতিদিন ৩৫০ টাকা মজুরি পান এবং সংসার চালান। বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি সংসারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বাফুফে গলির পাশে খাবারের দোকানে কাজ করেন। কিছু দিন আগে দোকানটি বন্ধ হয়ে যায়। মো. ফয়সাল ফুচকা ও ডালপুরি বিক্রি করেন। এরশাদ আলী শিশুদের খেলনা বিক্রি করেন। বৃষ্টিতে বিক্রয় কমেছে। তাদের আয় কমেছে এবং খরচ বাড়ছে।
অর্থনৈতিক সংকটে ফুটপাতের বিক্রেতাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →