বাবার দেশে গোল করে কাঁদিয়ে দিলেন ইয়াসিন আয়ারি
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ। বয়স মাত্র ২২। এমন দিনে গোল করলে বেশির ভাগ ফুটবলারের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? উল্লাস, দৌড়, চিৎকার, দর্শকের কাছে ছুটে যাওয়া, সতীর্থদের আলিঙ্গন—এই তো। কিন্তু ইয়াসিন আয়ারি বেছে নিলেন অন্য পথ। সতীর্থরা তাঁকে জড়িয়ে উল্লাস করছেন। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস সবার মধ্যে। কিন্তু তিনি ভীষণ নির্লিপ্ত। জটলার ফাঁক গলে বেরিয়ে দুই হাত উঁচিয়ে ধরলেন দর্শকের দিকে। চোখমুখে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি। এরপর লুটিয়ে পড়লেন সিজদায়। আজ মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে গোলের পর
বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ২২ বছর বয়সী ইয়াসিন আয়ারি গোল করেন। সেই গোল করে তিনি নিজের বাবার দেশের বিপক্ষে খেলেন। সেই ম্যাচে তিনি গোল করার পর উত্তেজনা প্রকাশ করেন না। বরং তিনি সিজদায় লুটিয়ে পড়েন। আয়ারির বাবা তিউনিসিয়ান, মা মরোক্কান। তিনি সুইডেনের হয়ে খেলেন বাবার সিদ্ধান্তে। সুইডেনের জন্য এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আয়ারি এখন বিশ্বকাপে সুইডেনের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়।
এটি একটি গভীর পারিবারিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয় যা ফুটবলের মধ্যে মানবিকতা প্রকাশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →