বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা
একটি স্বাধীন, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। রাজনৈতিক দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা সর্বদাই ক্ষমতার পৃথক্করণের কথা বলে আসছেন। নাগরিকের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার সুস্পষ্ট বিভাজন থাকতে হবে এবং বিচার বিভাগকে আইন ও নির্বাহী বিভাগের থাবা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখতে হবে। বৈশ্বিক ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা বারবার প্রমাণ করেছে, যেখানেই বিচার বিভাগের প্রশাসনিক ও আর
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান স্তম্ভ। ক্ষমতার পৃথকীকরণ গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগকে আইন ও নির্বাহী বিভাগ থেকে মুক্ত রাখা আবশ্যক। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে স্বাধীন বিচার বিভাগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দেয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানে এই দর্শন বর্ণিত হয়। কিন্তু সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমস্যা চলে আসছে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার ঘটনা এই সমস্যাকে আবার উন্মোচন করে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য হাইকোর্ট তিন মাসের সময় নির্ধারণ করে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংস্কার থমকে যায়।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →