ষষ্ঠী বর্মণ সীমান্ত পার হয়েছেন
দেশভাগের কয়েক বছর পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, শুধু সাধারণ বন্দী নয়, মানসিক হাসপাতালে থাকা রোগীদেরও দুই দেশের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। সেই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করেই কালজয়ী লেখক সাদত হাসান মান্টো লিখেছিলেন এক ধ্রুপদি গল্প ‘টোবা টেক সিং’। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিষণ সিং। বহু বছর ধরে পাগলাগারদে থাকা এই মানুষটি সবার কাছে একটাই প্রশ্ন করতেন, ‘টোবা টেক সিং কোথায়? পাকিস্তানে, নাকি হিন্দুস্তানে?’ কারণ, টোবা টেক সিং ছিল তাঁর গাঁ, তাঁর পরিচয়, তাঁর শিকড়। যেদিন তাঁকে সীমান্ত
দেশভাগের পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার মানসিক হাসপাতালের রোগীদের দুই দেশে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। সাদত হাসান মান্টো এ বিষয়ে গল্প লিখেছিলেন। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিষণ সিং ছিলেন যিনি সীমান্ত পার হওয়ার সময় নিজের গ্রামের অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঠেলে পাঠানো হয়েছিল এবং পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে কেন মানবিক বিপর্যয় ঘটছে তা প্রশ্ন উঠেছে।
সীমান্তে মানুষের মধ্যে দুর্দান্ত মানবিক সমস্যার কথা স্পষ্ট করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →