আর্জেন্টিনা কেন ঐতিহাসিক অপরাধ অস্বীকার করছে
গত মার্চের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব গৃহীত হয়। ঘানার নেতৃত্বে এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন ও ক্যারিবিয়ান কমিউনিটির (ক্যারিকম) সমর্থনে আনীত এই প্রস্তাবে আটলান্টিকপারের দাস ব্যবসা ও দাসপ্রথাকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণের জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়। জাতিসংঘের ১২৩টি সদস্যদেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। সাবেক ইউরোপীয় উপনিবেশবাদী দেশগুলোর বেশির ভাগই ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। আর বিপ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে যেখানে আটলান্টিকপারের দাস ব্যবসা ও দাসপ্রথাকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রস্তাবে ক্ষতিপূরণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। জাতিসংঘের ১২৩টি সদস্যদেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। কিন্তু সাবেক ইউরোপীয় উপনিবেশবাদী দেশগুলো ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। আর্জেন্টিনা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। আর্জেন্টিনার এই অবস্থান দেশের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত করে। দাসপ্রথার ক্ষতিপূরণ অস্বীকার করা দেশের রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্যের অংশ। আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রগঠনের শুরু থেকে দেশটির এলিটরা জনসংখ্যা ও সংস্কৃতিকে 'শ্বেতাঙ্গ' করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। এই ধারণা সংবিধানে বিধিবদ্ধ করা হয়েছিল। এরপর বহুবার সংবিধান সংশোধন করা হলেও এই ধারা কখনো বাদ দেওয়া হয়নি। আজও আর্জেন্টিনার বেশির ভাগ মানুষ মিশ্র বা কৃষ্ণাঙ্গ বর্ণের হলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাকে একটি সমজাতীয় ইউরোপীয় সমাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক অস্বীকৃতি দেশের বর্ণবাদী রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্য প্রতিফলিত করে।
📌 Kaynak
Bu özet Bangladesh kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →