খাদ্যগুদামে কাগজপত্রে উত্তোলন দেখানোর ঘটনা
ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগারে (সিএসডি) কাগজপত্রে কয়েক শ টন গম উত্তোলন দেখানো হলেও বাস্তবে তা গুদামেই রয়ে যাওয়ার ঘটনাটি গভীর উদ্বেগের। জেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক এক অভিযানে এ অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। দেশের খাদ্যগুদাম নিয়ে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। ফলে ময়মনসিংহের এ ঘটনায় অনিয়মের সত্যতা মেলার পর দায়ী কর্মকর্তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো ধরনের সুযোগ নেই। প্রথম আলো র প্রতিবেদন জানাচ্ছে, একটি ফ্লাওয়ার মিলের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া ৩৮০ টন গমের মধ্যে
ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগারে কাগজপত্রে উত্তোলন দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সত্যিকার অবস্থা হল গম উত্তোলন হয়নি। জেলা প্রশাসনের অভিযানে এ অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। খাদ্য বিভাগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পুরানো। এ ঘটনার পেছনে গভীর সিন্ডিকেটের হাত থাকতে পারে। নির্ধারিত সময়ে খাদ্যশস্য উত্তোলন করা জরুরি। কিন্তু বাস্তবে এটি হয়নি। কর্মকর্তাদের দাবি ছিল সময় ও পরিবহন সমস্যা কারণে এটি সম্ভব হয়নি। কিন্তু এ যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। কাগজপত্রে সরবরাহ দেখানো সঠিক নয়। এটি দুর্নীতির পথ সুগম করে। এ ধরনের অনিয়ম প্রকাশে জেলা প্রশাসন আরও কঠোর হবে। দোষীদের শাস্তি দেওয়া জরুরি। দেশের সব খাদ্যগুদামে নিয়মিত অভিযান চালানো প্রয়োজন।
খাদ্য সংরক্ষণাগারে অনিয়ম ও দুর্নীতি জনগণের করের টাকার ব্যাপার।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →