পাগল হাসানের দুঃখের সীমা নেই
‘শত-সহস্র’ বছর ধরে বয়ে চলছে নদী সুরমা। পাড়ে শিমুলতলা গ্রাম। উপজেলা ছাতক। জেলা সুনামগঞ্জ। এ গ্রামেই ১৯৮৫ সালের ১ জুন জন্ম নেন পাগল হাসান, যাঁর মূল নাম মো. মতিউর রহমান হাসান। বয়স যখন অল্প, তখন হাসানের কৃষক বাবা দিলোয়ার হোসেন দিলশাদ মারা যান। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া হাসান সে বয়সেই জেনে যান, পুরো জীবনটাই গান, পুরো জীবনটাই সুর, যেন–বা এক দুঃখনদী। এ-ও জানা হয়ে যায় হাসানের, গান লিখতে হলে বুকভরা পরম দুঃখের দরকার। বাবা মারা যাওয়ার পর অভাব, অনটন আর দুঃখ সেই যে হাসানের সঙ্গী হয়েছিল; তা আর
পাগল হাসান জন্ম নেন ১৯৮৫ সালে সুনামগঞ্জের শিমুলতলায়। তাঁর বাবা দিলোয়ার হোসেন দিলশাদ ছোট বয়সে মারা যান। তিনি কৃষক পরিবারে বড় হন এবং দুঃখ তাঁর জীবনের অঙ্গ হয়ে থাকে। গান লিখতে হলে পরম দুঃখের প্রয়োজন হয় বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। তাঁর জীবনে সুখ কখনো আসেনি বলে মনে হয়। দুঃখ তাঁর গানে প্রকাশিত হয় এবং তিনি সবসময় গানের মধ্যে আশা খুঁজতেন। এক সময় তিনি একটি দুর্ঘটনায় আহত হন কিন্তু তাঁর গানের মধ্যে আবার জীবন খুঁজে পান।
পাগল হাসানের জীবন এবং গান তাঁর দুঃখ ও আশার প্রতীক হয়ে থাকে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →