বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা
অন্ধকারটা খুবই ঘন গভীর হয়ে বিস্তার লাভ করেছিল, চারপাশে। বিশেষত, পূর্ব বাংলায় ঢাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। কী রকম সেটা? ইতিহাস থেকে এ ব্যাপারে একটি নজির পেশ করা ভালো। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সময় ঢাকায় শিক্ষিত মুসলমানের সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য। এবং তার একটা বড় অংশ ছিল ঢাকার বাইরে থেকে আগত। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এই কারণে স্বল্প। এরও অধিকাংশ, ঢাকায় ছিল বহিরাগত। ঢাকায় যারা স্থানীয়, তারা ছিল ‘কুট্টি’। এ নামেই তারা পরিচিত ছিল তখন। শিক্ষার প্রতি ক
ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশে শিক্ষার অভাব ছিল। মুসলিম সমাজে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলন শুরু হয়। এতে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বিচার-বুদ্ধি উত্তেজিত হয়। এটি মানুষের মনে নতুন চিন্তা ও জিজ্ঞাসা জাগায়। ধর্মীয় সংস্কার ও শাস্ত্র মানুষের সৃষ্টিশীল প্রবণতাকে বাধা দেয়। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের মনকে মুক্ত করা।
বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন মানুষের চিন্তা ও জ্ঞান বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →