কফি দোকানে আড্ডার ইতিহাস
নর্থ আমেরিকায় কফির দোকানগুলোতে কফির সঙ্গে চা, ডোনাট ও স্ন্যাকস বিক্রি করে। গ্রীষ্ম ঋতুতে বরফ ও ক্রিম মিশ্রিত ক্যাপাচিনো থাকে গরমে কাতর তৃষ্ণার্তদের জন্য। সময় ও সুযোগ অনুযায়ী বয়স্করা চা, কফি ও ক্যাপাচিনো পানের পাশাপাশি আড্ডা দিয়ে থাকেন। দেখা করা ও কুশল বিনিময়ই আড্ডার মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত বয়স্করাও মেতে ওঠেন ক্লান্তিহীন আড্ডায়। ‘ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু’। শীত ঋতু ও স্নোর কারণে কোণঠাসা হলে স্প্রিং ও সামারে আড্ডা জমে ওঠে। কফির দোকানগুলো ফ্র্যাঞ্চাইস। একই নামের এ
নর্থ আমেরিকায় কফি দোকানগুলো চা, ডোনাট এবং স্ন্যাকস বিক্রি করে। গ্রীষ্মে ক্যাপাচিনো পান করা হয়। বয়স্করা সময় অনুযায়ী আড্ডা দেয়। দেখা করা এবং কুশল বিনিময় আড্ডার প্রধান উদ্দেশ্য। শীতে আড্ডা কম হয়। কফি দোকানগুলো ফ্র্যাঞ্চাইস হয়। নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর চায়ের নেশায় ধরাশায়ী হই। বন্ধুদের সাথে নিউ মেট্রো সিনেমা হলের কাছে আড্ডা দিয়েছি। ১৯৭২ সালে সেন্টুর দোকানে আড্ডা দিয়েছি। কৈশোরে খানপুরে কুমুদিনীর চর হাউজে সাঁতার করতে গিয়ে আড্ডা দিয়েছি। ১৯৭৪-৭৫ সালে কলেজে যাওয়ার সময় মেঝদা প্রতিদিন এক টাকা দিতেন। মনুবাবুর দোকানে আড্ডা দিত। সখিনা হোটেল ছিল আড্ডার জন্য উপযুক্ত স্থান। বেকার জীবনে আড্ডায় অনেকেই খালি পকেটে আসত। আড্ডায় চা-শিঙাড়া সুবাস ছড়াত।
আড্ডা সমাজের সংযোগ এবং প্রাচীন স্মৃতির প্রতিফলন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →