শাকিবের কাজের ক্ষুধাই বেশি মুগ্ধ করেছে সাবিলাকে

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 4 saat önce
শাকিবের কাজের ক্ষুধাই বেশি মুগ্ধ করেছে সাবিলাকে

এক যুগ ধরে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। গত বছর ঈদুল আজহায় ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথম জুটি বাঁধেন তিনি। চলতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ শরীফুল রাজ, ঈদুল আজহায় শাকিব খানের সঙ্গে ‘রকস্টার’–এ দেখা যায় তাঁকে। নতুন সিনেমার কাজও শুরু করছেন তিনি। সাবিলা নূর তাঁর সাম্প্রতিক বিষয়ে কথা বলেছেন মনজুর কাদেরের সঙ্গে। সময়টা দারুণ যাচ্ছে সাবিলা নূরের। পরপর দুই ঈদে দুটি আলোচিত সিনেমার অংশ হয়েছেন—একটি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, অন্যটি ‘রকস্টার’। শাকিব খান ও শরীফুল রাজের সঙ্গে দু

এক যুগ ধরে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। গত বছর ঈদুল আজহায় ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথম জুটি বাঁধেন তিনি। চলতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ শরীফুল রাজ, ঈদুল আজহায় শাকিব খানের সঙ্গে ‘রকস্টার’–এ দেখা যায় তাঁকে। নতুন সিনেমার কাজও শুরু করছেন তিনি। সাবিলা নূর তাঁর সাম্প্রতিক বিষয়ে কথা বলেছেন মনজুর কাদেরের সঙ্গে। সময়টা দারুণ যাচ্ছে সাবিলা নূরের। পরপর দুই ঈদে দুটি আলোচিত সিনেমার অংশ হয়েছেন—একটি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, অন্যটি ‘রকস্টার’। শাকিব খান ও শরীফুল রাজের সঙ্গে দুটি ছবি তাঁকে নিয়ে এসেছে আলোচনায়। সময়টা বেশ উপভোগ করছেন তিনি। তবে দায়িত্ব বেড়েছে বলেও জানালেন সাবিলা। অনেক কিছু শিখেছেন বলেও জানালেন। সাবিলা বললেন, ‘কাজের প্রতি ভালোবাসা আর নিষ্ঠা সময়ের সঙ্গে আরও বেড়েছে। এবার ঈদে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’কে দর্শক যেভাবে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তাতে তাঁদের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেছে। দর্শকের এই ভালোবাসাই আমাকে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়। পরিবারের সমর্থনও সব সময় আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। কাজের ব্যস্ততায় নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, আর ঠিক তখনই পরিবারের ভালোবাসা ও পাশে থাকার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি অনুভব করি। বিশেষ করে গত কয়েক ঈদে আমি উপলব্ধি করেছি, পরিবারের সাপোর্ট ও আন্তরিক ভালোবাসা ছাড়া পথচলাটা এত সহজ হতো না।’ সিনেমা নিয়ে স্বামীর পরামর্শ ‘রকস্টার’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’—দুটি সিনেমাই স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দেখেছেন সাবিলা নূর। ‘রকস্টার’ দেখার সময় দুজনই ক্যাপ ও মাস্ক পরে সাধারণ দর্শকের ভিড়ে বসে সিনেমাটি উপভোগ করেন। এতে দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয় তাঁদের। তবে সিনেমা নিয়ে নেহালের একটি পরামর্শই সবচেয়ে বেশি মনে রেখেছেন সাবিলা। তিনি বলেন, ‘নেহাল আমাকে বলেছে, কোনো সিনেমার সফলতাকে যেন নিজের সফলতা মনে না করি। এটাকে সব সময় পুরো টিমের সফলতা হিসেবে দেখি।’ কথা প্রসঙ্গে সাবিলা বললেন, ‘আমিও মনে করি, একটি সিনেমার সাফল্য কখনো একজনের নয়, এর পেছনে পুরো টিমের পরিশ্রম থাকে। তাই অর্জনকে টিমের সাফল্য হিসেবেই দেখতে চাই।’ ‘অনন্ত ভালোবাসা’ থেকে ‘রকস্টার’, ২৭ বছর পরও শীর্ষে শাকিব খান সাবিলা নূর অনুপ্রেরণায় শাকিব খান শাকিব খানকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। তাঁর মতে, অভিনয়জীবনের ২৭ বছরে এসেও প্রতিটি নতুন কাজের প্রতি শাকিব খানের যে নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা, তা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য সত্যিই অনুপ্রেরণার। সাবিলা বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে শাকিব খানের কাজের প্রতি ক্ষুধা ও ডেডিকেশন তাঁকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে। ‘তাণ্ডব’-এ খুব বেশি দিন একসঙ্গে কাজ না করলেও তিনি খেয়াল করেছেন, শুটিংয়ের নির্ধারিত সময়ের আগেই সেটে উপস্থিত থাকতেন শাকিব। তাঁর ভাষায়, এত বড় একজন তারকার এমন পেশাদার মনোভাব সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। ‘তাণ্ডব’–এর তুলনায় ‘রকস্টার’-এ শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বেশি সময়ের। দেশ ও দেশের বাইরে সাবিলা এই ছবির শুটিং করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা সাবিলা জানান এভাবে, প্রথম দিন থেকেই তিনি শাকিব খানের কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে বিস্মিত হয়েছেন। এতটা বছর কাজের পরও কাজের প্রতি তাঁর আগ্রহ ও প্রস্তুতি একটুও কমেনি। প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে ভাঙার চেষ্টা তাঁকে আলাদা করেছে। সহশিল্পী হিসেবেও শাকিব খান তাঁকে মুগ্ধ করেছেন। সাবিলা বলেন, ‘শাকিব ভাই তো মেগাস্টার, এত বড় তারকা হওয়ার পর শুটিং সেটে তিনি কখনোই তা বুঝতে দেন না। সবার সঙ্গে সহজে মিশে যান এবং এমন পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে সহশিল্পীরা স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে কাজ করতে পারেন।’ মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে শাকিব, কেমন হলো ‘রকস্টার’ শাকিব খানের বাইকের পেছনে সাবিলা নূর—মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই দৃশ্যই দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে। পর্দায় তাঁদের রসায়ন নিয়ে এখন তুমুল কৌতূহল। নতুন মিশন সাবিলার এখনকার লক্ষ্য বড় পর্দায় ব্যস্ত হওয়া। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছেন তিনি। ছোট পর্দায় আপাতত অভিনয় করতে চাইছেন না। পরপর দুটি ছবি তাঁকে আলোচনায় আনার পর এখন কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন। নতুন প্রজেক্ট নিয়ে পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। যদিও চূড়ান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চান না সাবিলা। তিনি জানান, বেশ কয়েকটি গল্প শুনেছেন এবং এর মধ্যে একটি সিনেমার কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেটিই হবে তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্র। সাবিলা বলেন, ‘কয়েকটা গল্প শুনেছি। একটা গল্পের প্রস্তুতি অনেক দূর এগিয়েছে। হচ্ছে এবং হবে। এখন চিন্তাভাবনার মধ্যে আছি। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।’ জুলাইয়ের শেষ দিকে নতুন ছবিটির ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে। টেলিভিশন থেকে চলচ্চিত্রে সফলভাবে পথচলা শুরু করা এই অভিনেত্রী মনে করেন, এখন গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ৩০ বছর সিনেমা থেকে দূরে, ভিনদেশে কেমন কাটছে শাবানার দিনকাল শরীফুল রাজ ও সাবিলা নূর। ছবি: ফেসবুক দেখতে চান ঈদের অন্য ছবিও ঈদে আটটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। মুক্তি পাওয়া নিজের ছবি ‘রকস্টার’–এর প্রচারণা ও প্রেক্ষাগৃহ পরিদর্শনে ব্যস্ত ছিলেন সাবিলা। তাই নিজের সিনেমার বাইরে মুক্তি পাওয়া অন্য ছবিগুলো এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি তাঁর। তবে খুব শিগগির সেগুলো দেখার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। সাবিলা জানান, এবারের ঈদে মুক্তি পাওয়া কয়েকটি ছবির সঙ্গে তাঁর কাছের ও পছন্দের মানুষেরা যুক্ত আছেন। সে কারণেই ছবিগুলোর প্রতি তাঁর আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ‘রইদ’, ‘বনলতা সেন’ এবং ‘মালিক’—এই তিনটি ছবি আগামী দু–এক দিনের মধ্যেই দেখার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। সাবিলা বললেন, ‘এসব ছবি নিয়ে চারদিকে অনেক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শুনেছি। তাই দর্শক হিসেবে আগ্রহও বেড়েছে। কাজের ব্যস্ততা কিছুটা কমেছে। এখন যেহেতু একটু ফ্রি আছি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön