এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬। ভূগোল ১ম পত্র (অধ্যায় ২): পৃথিবীর কেন্দ্রের উপাদান নিকেল ও লোহা
ভূগোল ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন অধ্যায়–২ নিচের চিত্র দেখে প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রশ্ন ক. ভূত্বকের সংজ্ঞা দাও। খ. ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে ‘ক’ চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের ‘খ’ ও ‘গ’ চিহ্নিত স্তর দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। উত্তর ক. পৃথিবীর উপরিভাগের পাতলা কঠিন আবরণকে ভূত্বক বলে। খ. সমুদ্র তলদেশের বিস্তৃত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হওয়ায় এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তী সময় ভূ–আলোড়
ভূগোল ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন অধ্যায়–২ নিচের চিত্র দেখে প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রশ্ন ক. ভূত্বকের সংজ্ঞা দাও। খ. ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে ‘ক’ চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের ‘খ’ ও ‘গ’ চিহ্নিত স্তর দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। উত্তর ক. পৃথিবীর উপরিভাগের পাতলা কঠিন আবরণকে ভূত্বক বলে। খ. সমুদ্র তলদেশের বিস্তৃত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হওয়ায় এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তী সময় ভূ–আলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্বভাঁজ ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এসব ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজসংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। গ. চিত্রের ‘ক’ স্তরটি অশ্মমণ্ডল। অশ্মমণ্ডল মহাদেশের তলদেশে ৩০ থেকে ৪০ কিমি এবং গড়ে প্রায় ৩৫ কিমি পুরু। সমুদ্রের তলদেশে এ স্তর ৩ থেকে ১০ কিমি এবং গড়ে ৫ কিমি পর্যন্ত পুরু। অশ্মমণ্ডলকে দুটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা— ক. লঘু শিলাস্তর ও খ. গুরু শিলাস্তর। লঘু শিলাস্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে গড়ে ১২.৮ কিমি গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং গুরু শিলাস্তরটির ঘনত্ব ২.৯৫ থেকে ৩ কিলোগ্রাম/ঘনমিটার। অস্ট্রেলিয়ার ভিসাতে পরিবর্তন আসছে, শিক্ষার্থী-ট্রেনিং-রিজিওনাল ভিসা স্পনসরশিপে যে যে বদল ঘ. চিত্রের ‘খ’ ও ‘গ’ স্তর দুটি যথাক্রমে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল। গুরুমণ্ডল স্তরের গভীরতা ১৫ কিমি থেকে ২,৯০০ কিমি পর্যন্ত। এটি মূলত ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত। গুরুমণ্ডলকে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা— ক. বহিঃগুরুমণ্ডল এবং খ. অন্তঃগুরুমণ্ডল। বহিঃগুরুমণ্ডল স্তরটি ১০০ থেকে ৭০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্তঃগুরুমণ্ডল ৭০০ থেকে ২ হাজার ৯০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। কেন্দ্রমণ্ডলটি গুরুমণ্ডল (২ হাজার ৮৮৫ কিমি) থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র (৬ হাজার ৩৭১ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত। গুটেনবার্গ বিযুক্তি থেকে এর গভীরতা ৩ হাজার ৪৮৬ কিমি। এর মূল উপাদান নিকেল ও লোহা। এ থেকে বোঝা যায়, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা আছে। মো. শাকিরুল ইসলাম, প্রভাষক ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →