হোটেলে পানের পিক ফেলায় কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মালিকের ছেলে গ্রেপ্তার
রংপুর নগরের একটি হোটেলে বাসনপত্র রাখার স্থানে পানের পিক ফেলাকে কেন্দ্র করে এক কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নগরের খামার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাওনের (২৪) বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার নূরের চক গ্রামে। তিনি ওই হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন
রংপুর নগরের একটি হোটেলে বাসনপত্র রাখার স্থানে পানের পিক ফেলাকে কেন্দ্র করে এক কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নগরের খামার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাওনের (২৪) বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার নূরের চক গ্রামে। তিনি ওই হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেন, খামার মোড় এলাকায় আমির হোসেনের মালিকানাধীন একটি হোটেলে শাওন কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। গতকাল সন্ধ্যার পর মালিকের ছেলে মিজানুর রহমানের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিজানুর হাতুড়ি দিয়ে শাওনের মাথার পেছনে দুই থেকে তিনটি আঘাত করেন। এতে শাওন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলের কাছেই গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল দায়িত্ব পালন করছিল। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। পরে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে হেফাজতে নেওয়া হয়। মিজানুর রহমানের বরাতে ডিবি পুলিশ জানায়, প্লেট-বাসন ও টিস্যু রাখার স্থানে শাওন পানের পিক ফেলেছিলেন। এতে মিজানুর ক্ষুব্ধ হয়ে হাতুড়ি দিয়ে শাওনকে আঘাত করেন। পরে মিজানুর রহমানকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে নগরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম নাজমুল কাদের বলেন, গতকাল রাতে মামলা হয়েছে। এতে মিজানুর ও তাঁর বাবা আমির হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →